অলংকার

অলঙ্কার বা গহনা একপ্রকার পরিধেয় সামগ্রী যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে সুসজ্জিত ও আকর্ষণীয় করার উদ্দেশ্যে পরিধান করা হয়। অলংকার ধাতু বা অন্য কোন উপকরণ দ্বারা তৈরী করা হয়। অনেক অলঙ্কার তৈরীতে সাধারণত মূল্যবান ধাতু ব্যবহৃত হয়। অলঙ্কার কেনো আবশ্যিক পরিধেয় নয়। অলংকার মানুষের সাজসজ্জার মাধ্যম যা মানুষের দৈহিক সৌকর্য বৃদ্ধি করে। পৃথিবীর প্রায় সকল জাতি অলংকার ব্যবহার করে। জাতি ও সংস্কৃতি ভেদে অলংকারের গড়ন ও প্রকৃতি বিভিন্ন হয়ে থাকে। আধুনিক সভ্যতায় সোনা ও রূপার অলংকার সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় লোহার তৈরী গহনার বিশেষ কদর ছিল। বিংশ শতাব্দীর শেষাংশে প্লাটিনামের গহনা তৈরীও শুরু হয়

অলংকারের ইতিহাস

অলংকার ব্যবহার ইতিহাস প্রাচীন। নিদর্শন মোতাবেক ধারণা করা হয়, ১১৫০০০ বছর পূর্বে ইউরোপীয়রা হাড়,কাঠ সামুদ্রিক ঝিনুক,শামুক,পাথর ব্যবহার করে অলংকার তৈরী করেন।রাশিয়ায় সমসাময়িকে মার্বেলের তৈরী আংটির প্রচলন হওয়ার কথা জানা যায়। মোসোপটমিয়,গ্রিক,মিশর,চীন ও ভারতে পাওয়া অলংকার নিদর্শন গুলোও অনেক প্রাচীন। খ্রিস্টিয় অব্দিগুলোতে যিশুর ক্রস তৈরী বিভিন্ন ধাতু দিয়ে যিশুর ক্রস চিহ্ন তৈরীতে ব্যবহার করা হয় এবং সেটি গলায় পরার জন্য ধাতু তৈরী চেইন ব্যবহার শুরু হয়। এসময় এসব চেইন বিয়েতে উপহার দেয়ার প্রচলন হওয়ার কথা জানা যায়‌ । এছাড়াও বিভিন্ন ধর্মে তাবিজ ,দেবতা ও প্রভৃতি শয়তানের হাত থেকে রক্ষায় পবিত্র চিহ্ন ব্যবহার করা হতো।

অলংকারের ব্যবহার

অলংকার দুই ধরনের। এক প্রকার অলংকার দৈনিক ব্যবহার করা হয়। অন্য প্রকার অলংকার বিশেষ উৎসবে-উপলক্ষে ব্যবহার করা হয়। ভারতবর্ষে বিয়ে নারীর অলংকার ব্যবহারের প্রধান আঙ্গিক।

অলংকারের প্রকারভেদ

১.আংটি ২.কণ্ঠহার ৩.কানের অলংকার ৪.চুড়ি .৫.টিকলী ৬.নথ ৭.নোলক ৮.বিছা ৯.নাভ্যাংটি বা নেভেইল রিং ১০.টানা ১১. নূপুর

পণ্যের প্রদর্শনী

আজকের বিলাসিতা আগামী দিনের সঞ্চয়

মঙ্গলসূ্ত্র
সীতাহার
হাতপাজ্ঞা
ব্রেসলেট
শাখাঁ
কানের অলংকার
নেকলেস
টিকলী
টানা
নূপুর
নোলক
চুড়ি
আংটি

আমাদের সেবাসমূহ

প্রদর্শনী সেবা , কারিগরি সেবা , অনলাইন সেবা

প্রদর্শনীসেবা

প্রদর্শনীসেবা

কারিগরী সেবা

কারিগরী সেবা

অনলাইন সেবা

অনলাইন সেবা